কোনটি সত্য নয়?
-
ক
আদিকোষে সুগঠিত নিউক্লিয়াস অনুপস্থিত
-
খ
লাইসোজোম ভিটামিন C সঞ্চিত করে
-
গ
মাইটোকন্ড্রিয়া স্নেহ বিপাকে অংশ গ্রহণ করে
-
ঘ
কোষে একটি সেন্ট্রোসোম থাকে
লাইসোসোমের কাজ : লাইসোসোমের এনজাইমসমূহ অম্লীয় পরিবেশে কর্মক্ষম হয় ; সাইটোপ্লাজমের নিউট্রাল pH এ এরা কর্মক্ষম থাকে না ; তাই কোষের তেমন কোনো ক্ষতি হয় না । প্রয়োজনের সময় সাইটোপ্লাজম থেকে প্রোটন এনে অম্লীয় পরিবেশ তৈরি করে এরা কাজ করে । এদের কাজ হলো - (i) এরা ফ্যাগোসাইটোসিস পদ্ধতিতে জীবাণু ধ্বংস করে, (ii) বিগলনকারী এনজাইমসমূহকে আবদ্ধ করে রেখে এটি কোষের অন্যান্য অঙ্গাণুকে রক্ষা করে, (iii) লাইসোসোম অন্তঃকোষীয় পরিপাক কাজে সাহায্য করে, (iv) তীব্র খাদ্যাভাবের সময় এর প্রাচীর ফেটে যায় এবং আবদ্ধকৃত এনজাইম বের হয়ে কোষের অন্যান্য অঙ্গাণুগুলো বিনষ্ট করে দেয় । এ কাজকে স্ব-গ্রাস বা অটোফ্যাগী । এভাবে সমস্ত কোষটিও পরিপাক হয়ে যেতে পারে । একে বলা হয় অটোলাইসিস । (v) এরা জীবদেহের অকেজো কোষসমূহকে অটোলাইসিস পদ্ধতিতে ধ্বংস করে বলে এদের আত্মঘাতী থলিকা বা স্কোয়াড (Suicidal bag or squad) বলা হয়, (vi) কোষ বিভাজনকালে এরা কোষীয় ও নিউক্লীয় আবরণী ভাঙ্গতে সাহায্য করে, (vii) এরা কোষে কেরাটিন প্রস্তুত করে, (viii) ক্যান্সার সৃষ্টি করতে পারে, (ix) টিস্যু বিগলনকারী অ্যাসিড ফসফেটেজ এনজাইম থাকে ।
গলগি বডি Vit-C সঞ্চয় করে
লাইসোজোমঃ লাইসোজোম শব্দের অর্থ Lyso = হজমকারী, Somo = বস্তু। সাইটোপ্লাজমে অবস্থিত কতগুলো হাইড্রোলাইটিক এনজাইম একটি পাতলা পর্দা দিয়ে আবৃত থাকে। এদের লাইসোসোম বলে। ১৯৫৫ খ্রিস্টাব্দে দ্য দুবে (De Duve) এদের আবিষ্কার করেন। তিনি একে কোষের আত্মঘাতী থলে হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। কিছু ছত্রাক, শৈবালসহ অধিকাংশ প্রাণী কোষে লাইসোসোম পাওয়া যায়। তবে প্রাণীকোষের লোহিত কণিকা ও বেশির ভাগ উদ্ভিদ কোষে লাইসোজোম অনুপস্থিত।
সাধারণত দু'ধরনের লাইসোজোম পাওয়া যায়। যথা-
• ডাইজেসটিভ গহ্বর এবং
• রেসিডিউয়াল বস্তু ।
লাইসোজোমের গঠনঃ
প্রতিটি লাইসোসোম লিপোপ্রোটিন নির্মিত আবরণ দিয়ে আবৃত থাকে। এর ভেতরে গাঢ়, দানাদার গহ্বরযুক্ত পদার্থ থাকে। এতে টিস্যু বিগলনকারী এনজাইম ছাড়াও প্রায় ৫০ ধরনের এনজাইম থাকে। একেকটি লাইসোসোম একেক ধরনের এনজাইমে সমৃদ্ধ।
আকার ও আয়তনঃ
লাইসোজোম সাধারণত আকার আকৃতিবিহীন তবে গোলাকার বা অসমানও হতে পারে। এদের আকার অনিয়মিত এবং পরিবর্তনশীল। এদের আয়তন সাধারণত ০.৪-০.৮ মাইক্রন।
উৎপত্তিঃ
এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলাম থেকে লাইসোমের উৎপত্তি।
লাইসোসোমের কাজঃ
*পিনোসাইটোসিস ও ফ্যাগোসাইটোসিস প্রক্রিয়ায় আক্রমণকারী জীবাণু ভক্ষণ ।
*তীব্র খাদ্যাভাব দেখা দিলে কোষস্থ উপাদান ও অঙ্গাণুকে বিগলিত করে ধ্বংস করে যাকে অটোফ্যাগি (Autophagy) বলে।
*পর্যাপ্ত পরিমাণ এনজাইম থাকায় এরা প্রায় সব ধরনের জৈবিক বস্ত্র হজম করতে পারে।
*এরা জীবদেহের অকেজো কোষকে অটোলাইসিস (Autolysis) প্রক্রিয়ায় ধ্বংস করে। ফলে সম্পূর্ণ কোষটিই পরিপাক হয়ে যেতে পারে।
*বিভিন্ন ধরনের বস্ত্তু নিঃসরণ করে।
*বিগলনকারী এনজাইমসমূহকে আবদ্ধ করে রেখে কোষের অন্যান্য ক্ষুদ্রাঙ্গকে রক্ষা করে।
*পরিপাক কাজে সাহায্য করে।
*কোষ বিভাজনে উদ্দীপনা যোগায়।
Related Question
View All-
ক
Keith R. Porter
-
খ
Christian de Duve
-
গ
George Palade
-
ঘ
Edouard Van Beneden
-
ক
রাইবোজোম
-
খ
এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলাম
-
গ
লাইসোজোম
-
ঘ
গলজি বডি
-
ক
ইডিওসোম
-
খ
পারঅক্সিসোম
-
গ
লাইসোসোম
-
ঘ
রাইবোসোম
-
ক
সোডিয়াম ক্লোরাইড
-
খ
সোডিয়াম বাই কার্বনেট
-
গ
পানি
-
ঘ
লাইসোজাইম
-
ক
সাইটোপ্লাজমকে দৃঢ়তা প্রদান করা
-
খ
জীবদেহের অকেজো কোষকে ধ্বংস করা
-
গ
পরিপাক ক্রিয়ায় সহায়তা দান
-
ঘ
জীবাণু ভক্ষণ
-
ক
গলগি বডি
-
খ
মাইটোকন্ড্রিয়া
-
গ
সেন্ট্রিওল
-
ঘ
সাইটোপ্লাজম
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!